• ৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, বৃহস্পতি ২১ মে ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Attempt

কলকাতা

রবিবার সন্ধ্যায় ভয়াবহ ঘটনা, নেতাজি ভবনে লাইনে ঝাঁপ! থমকে গেল কলকাতা মেট্রো

রবিবার সন্ধ্যায় কলকাতা মেট্রোর ব্লু লাইনে চরম বিভ্রাট দেখা দেয়। নেতাজি ভবন মেট্রো স্টেশনে এক ব্যক্তি লাইনে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন। ঘটনার জেরে আচমকাই বন্ধ হয়ে যায় মেট্রো পরিষেবা। ভর সন্ধ্যায় এই ঘটনায় দুর্ভোগে পড়েন অসংখ্য যাত্রী।মেট্রো সূত্রে জানা গিয়েছে, রবিবার শীতের দিনে যাত্রীদের ভিড় ছিল যথেষ্ট বেশি। অনেকেই পরিবার ও বন্ধুদের সঙ্গে শহরের বিভিন্ন জায়গায় ঘুরতে বেরিয়েছিলেন। সন্ধ্যা সাড়ে ছটা নাগাদ একটি মেট্রো ট্রেন নেতাজি ভবন স্টেশনে ঢোকার সময় হঠাৎ ওই ব্যক্তি লাইনে ঝাঁপ দেন। চালক দ্রুত ট্রেন থামানোর চেষ্টা করেন। তবুও ওই ব্যক্তি গুরুতর জখম হন। সঙ্গে সঙ্গে তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়।এই ঘটনার পরেই ব্লু লাইনে মেট্রো চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায়। বিভিন্ন স্টেশনে একাধিক মেট্রো রেক দাঁড়িয়ে পড়ে। কিছুক্ষণ পরে পরিষেবা আংশিকভাবে শুরু হলেও দক্ষিণেশ্বর থেকে শহিদ ক্ষুদিরাম স্টেশন পর্যন্ত মেট্রো চলাচল বন্ধ রাখা হয়। ময়দান থেকে দক্ষিণেশ্বর এবং শহিদ ক্ষুদিরাম থেকে মহানায়ক উত্তম কুমার, অর্থাৎ টালিগঞ্জ স্টেশন পর্যন্ত সীমিত পরিসরে মেট্রো চালানো হয়।কলকাতা শহরের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগ ব্যবস্থা হল ব্লু লাইন মেট্রো। রবিবার সন্ধ্যায় হঠাৎ এই পরিষেবা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বহু যাত্রী সমস্যায় পড়েন। অনেক স্টেশনে দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করতে দেখা যায় যাত্রীদের। পরিষেবা স্বাভাবিক হবে কি না, সেই অনিশ্চয়তায় বহু মানুষ শেষ পর্যন্ত অন্য যানবাহনের সাহায্যে গন্তব্যে রওনা দেন।

জানুয়ারি ১১, ২০২৬
রাজনীতি

তৃণমূলের ব্লক সভাপতি সহ ৩ নেতার বিরুদ্ধে খুনের চেষ্টার মামলা, পুলিশের ভূমিকাতে ক্ষুব্ধ শাসক শিবিরের একাংশ

জনতার কথাঃ গলসি ১ ব্লকে গণনার দিন গণ্ডগোল। মারপিঠ হয়। বিরোধীদের অভিযোগ পেয়ে শাসক দলের নেতাদের বিরুদ্ধে খুনের চেষ্টা সহ একাধিক ধারায় মামলা রুজু করল পুলিশ। যা নিয়ে ইতিমধ্যে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। অভিযুক্তরা পুলিশের সঙ্গে কংগ্রেসের আঁতাতের অভিযোগ তুলেছেন। তাঁদের দাবি, অভিযোগের বিষয়ে কোন তদন্ত না করেই পুলিশ প্রভাবিত হয়ে মামলা রুজু করেছে। সূত্রের খবর, পুলিশের এই ভূমিকা ইতিমধ্যে তাঁরা দলকে জানিয়েছেন। ঘনিষ্ট মহলে পুলিশের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে মামাল করার কথাও জানিয়েছেন অভিযুক্তরা। গলসি ১ ব্লকের তৃণমূলের সভাপতি জনার্দন চট্টোপাধ্যায়, গলসি ১ পঞ্চায়েত সমিতির প্রাক্তন সহসভাপতি তথা এবারের বিজয়ী প্রার্থী অনুপ চট্টোপাধ্যায় ও মানকর পঞ্চায়েতের প্রাক্তন উপপ্রধান তন্ময় ঘোষের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করেছ বুদবুদ থানার পুলিশ। তাঁদের বিরুদ্ধে অভিযোগ, পঞ্চায়েত ভোটের গণনার দিন কংগ্রেস কর্মী তথা মানকর গ্রাম পঞ্চায়েত প্রার্থী অসিত কুমার মুখ্যোপাধ্যায় ও কংগ্রেসের ব্লক সভাপতি তথা পূর্ব বর্ধমান জেলা পরিষদের প্রার্থী জয়গোপাল দে কে লাঠি দিয়ে পিটিয়ে মারধর করার। এমনকি অভিযোগকারীকে তাঁরা প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দেয়। ঘটনাটি ঘটে বুদবুদ বাজারে দুর্গাপুর যাবার বাসস্ট্যাণ্ড এলাকায়। এবারে মানকর গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রার্থী অসিত কুমার মুখার্জী পুলিশকে লিখিত এই অভিযোগ করেছেন। তাঁরও এই অভিযোগ ভিত্তিতে পুলিশ খুনের চেষ্টা সহ একাধিক ধারায় মামলা রুজু করেছেন।আর এখানেই পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে শাসকদলের একটা বড়ো অংশ। তাঁরা বলছেন, এ দিন পর্যন্ত জনার্দনবাবু, অনুপবাবুদের বিরুদ্ধে একটি পিঁপড়ে মারার অভিযোগ নেই। ঘটনার সময় ওই এলাকাতেই তিনজনই ছিলেন না। তা হলে তাঁরা কী করে কংগ্রেস প্রার্থীকে মারধর করলেন?তাছাড়া এবার অনুপবাবু ১৭০০ বেশি ভোটে পঞ্চায়েত সমিতিতে নির্বাচিত হয়েছেন। তা হলে তিনি কেন কংগ্রেস প্রার্থীকে মারধর বা হুমকি দিতে যাবেন? তাদের আরও দাবি, অনুপবাবু বিরোধী বিজেপির মণ্ডল সভাপতি রতন সাউয়ের বাড়িতে গিয়ে এজেন্টদের ডেকে নিয়ে এসে গণনা কেন্দ্রে বসিয়েছিলেন। তারপরেও অনুপবাবুর বিরুদ্ধে এই চক্রান্ত। সূত্রের খবর, গলসি ১ পঞ্চায়েতে সভাপতি পদটি সংরক্ষতি। তাই এবারও দলের একটা বড় অংশ অনুপবাবুকে পঞ্চায়েত সমিতির সহসভাপতি পদে দায়িত্ব দিতে চাইছেন। সেখানেই দলের নেতাদের একাংশে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। অনুপবাবু ঘনিষ্টদের আশঙ্কা, এর সঙ্গে দলের একাংশ যোগ রয়েছে। ক্ষুদ্ধ সেই নেতারা পুলিশ ও কংগ্রেসকে প্রভাবিত করে মিথ্যা মামলাতে ফাঁসিয়ে অনুপবাবুকে আটকাতে চাইছেন। এবং তিনি পঞ্চায়েত সমিতির সহসভাপতি পদে বসার চক্রান্ত করছেন। এ ক্ষেত্রে আঙুল উঠেছে, গলসির দলের বিধায়ক নেপাল ঘরুইয়ের এক ঘনিষ্ট নেতার বিরুদ্ধে। অনুপবাবুর ঘনিষ্ট তৃণমূল কর্মীদের অভিযোগ, ভোট গণনার দিন গণনা কেন্দ্রের বাইরে বহু লোকের জমায়েত করেছিলেন ওই নেতাই। কারণ, তাঁর হারের আশঙ্কা ছিল। কংগ্রেসের সঙ্গে পুলিশের আঁতাতের অভিযোগ তুলেছেন জনার্দনবাবুও। তিনি তাঁর কর্মীদের বলেছেন, পুলিশ তদন্ত করল না, অথচ খুনের চেষ্টা মামলা রুজু করে দিল। পুলিশ তদন্ত করলে সিসিটিভি ফুটেছে, মোবাইল লোকেশন সহ একাধিক তথ্য হাতে পেত। কিন্তু, পুলিশ অভিযোগ পেয়েই সরাসরি খুনের চেষ্টা সহ একাধিক ধারায় মামলা রুজু করে দিল। ঘনিষ্ট মহলে অভিযুক্তদের দাবি, বুদবুদ থানার ওসি মনজিৎ ধারা তৃণমূলকে হারাতে প্রথম থেকেই বিরোধীদের সঙ্গে জোট বেঁধেছিলেন। হেরে যেতেই তৃণমূলকে রুখতে কংগ্রেসকে দিয়ে মিথ্যা মামলা করে তাঁদের ফাঁসানো চেষ্টা চালাছেন। বিষয়টি দলকে তাঁরা জানিয়েছেন। পুলিশের বিরুদ্ধে প্রয়োজনে হাইকোটে যাবার চিন্তাভাবনা করছেন তাঁরা। তবে তৃণমূলের অভিযোগ মানতে নারাজ পুলিশ। পুলিশের এক কর্তা জানিয়েছেন, আইন মেনে পদক্ষেপ করা হয়েছে।

জুলাই ১৩, ২০২৩
রাজ্য

কীটনাশক খেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা বাগদার পঞ্চায়েত সদস্যের, অভিযোগের তির প্রধানের দিকে

মানসিক চাপে কিটনাশক খেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন পঞ্চায়েত সদস্য। উত্তর ২৪ পরগনার বাগদা ব্লকের বয়রা গ্রামপঞ্চায়েতের ঘটনা। তৃণমূলের প্রধানের কথায় আবাস যোজনার ঘর দেওয়ার জন্য টাকা নিয়েছে তারই দলের পঞ্চায়েত সদস্য। এদিকে সংবাদ মাধ্যমে মুখ খোলায় লাগাতার হুমকির অভিযোগ প্রধানের অনুগামীদের বিরুদ্ধ। অভিযুক্ত প্রধানের নাম অসিত মণ্ডল। অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অসিত।জানা গিয়েছে, বয়রা গ্রাম পঞ্চায়েতের মালিদহ গ্রামের পঞ্চায়েত সদস্য দিলীপ দাসের দাবি, প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার ঘর দেওয়ার নাম করে ওই গ্রাম থেকে প্রায় ৫০ জন সাধারণ মানুষের কাছ থেকে ১০ হাজার, ১৫ হাজার করে টাকা নিয়েছে। এসব কাজ করেছেন তিনি প্রধান অসিত মণ্ডলের কথা মতো। সেই টাকা তিনি প্রাধানকে দিয়েছেন। তবে গুরুতর অভিযোগ টাকা দিয়েও গ্রামের কেউ ঘর পায়নি। ফলে তাঁরা এখন টাকা ফেরত চাইছে। কিন্তু টাকা দিচ্ছেন না প্রধান। পরবর্তীতে বিষয়টি তিনি দলেও নেতৃত্বকে জানান এবং সংবাদমাধ্যের সামনে ওই ঘটনা তুলে ধরেন। অভিযোগ, তার পর থেকে দিলীপকে পঞ্চায়েত প্রধান অসিত মণ্ডলের লোকজন হুমকি দিতে থাকে। ভয়ে তারা বাড়ি থেকে বেড়তে পারছেন না। পঞ্চায়ের সদস্যর স্ত্রী মঞ্জু দাসের দাবি, নানা হুমকির ফলে ভীত সন্ত্রস্ত হয়ে পড়েছিল আমাদের পরিবার। আর সেই মানসিক চাপে চলতি মাসের ছয় তারিখ শুক্রবার বিকেলে বিষ খেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করে দিলীপ। দুই দিন বনগাঁ হাসপাতালে চিকিৎসার পর সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে আসে। সোমবার দিলীপ দাসের স্ত্রী মঞ্জু দাস, অভিযুক্তদের শান্তি ও নিজেদের নিরাপত্তা চেয়ে বনগাঁ জেলা পুলিশ সুপারের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। টাকা তোলার কাজে দিলীপ দাস নিজেই যুক্ত বলে পাল্টা অভিযোগ করেন প্রধান অসিত মণ্ডল। প্রধানের দাবি, সাংসারিক কারণে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছিল দিলীপ। আমার সঙ্গে দিলিপের কোনও যোগাযোগ নেই। গ্রামের একাধিক লোকের কাছ থেকে টাকা তুলেছে দিলীপ। নানা দুষ্কর্মের সঙ্গে যুক্ত আছে পঞ্চায়েত সদস্য। আবাস যোজনার টাকা তুলে প্রধানকে দেওয়া প্রসঙ্গে তিনি বলেছেন, আমি কোন টাকা নেইনি। পুরোপুরি মিথ্যা অভিযোগ।

জানুয়ারি ১২, ২০২৩
বিদেশ

গুলিবিদ্ধ পাকিস্তানের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান, সিসিটিভি ফুটেজে কি দেখা গেল?

এবার গুলিবিদ্ধ পাকিস্তানের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। মিছিল চলাকালীন তাঁকে গুলি করা হয়েছে বলেই খবর। কয়েক বছর আগে পাকিস্তানের আরেক প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী বেনজির ভুট্টো নির্বাচনী প্রচারে নিহত হয়েছিলেন। তবে এক্ষেত্রে গুলিবিদ্ধ হলেও ইমরান বিপন্মুক্ত বলেই জানা গিয়েছে। ঘটনার সময় ইমরান তাঁর মিছিল নিয়ে ইসলামাবাদের দিকে যাত্রা করেছিলেন। আক্রমণকারী যুবককেও পাল্টা গুলি করা হয়েছে বলে খবর।তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই)-এর প্রবীণ নেতা ফারুক হাবিব প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীর গুলিবিদ্ধ হওয়ার কথা স্বীকার করে টুইট করেছেন, কাপুরুষদের মুখোশ খুলে গেল। ইমরান খান আহত। আল্লাহ তাঁকে রক্ষা করুক। গোটা জাতির ইমরান খানের জীবনের জন্য প্রার্থনা করা উচিত। জানা গিয়েছে এই রাজনীতিক তথা প্রাক্তন পাক ক্রিকেট দলের অধিনায়কের পায়ে গুলি লেগেছে। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ বেশ কিছুক্ষণ পরে গুলিকাণ্ডের নিন্দা করেছেন। তবে গুলিকাণ্ডের পিছনে রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র দেখছে ইমরানের অনুগামীরা।জানা গিয়েছে, গুলি চালনার ঘটনায় ইমরানের দলের এক কর্মীর মৃত্যু হয়েছে। গুজরানওয়ালার আল্লাহওয়ালা চকে বিশেষ ক্যাম্পে সংবর্ধনা দেওয়ার জন্য তোরজোড় চলছিল তখনই প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীকে গুলি চালায় দুষ্কৃতীরা। তবে আক্রমণকারীরা কতজন ছিল তা এখনও স্পষ্ট হয়নি। সিসিটিভি ক্যামেরায় দেখা গিয়েছে, মোটরসাইকেলে একজন বন্দুক হাতে ছিল। ওই ব্যক্তি নাভিদ বলে পরিচিত। গুলির আওয়াজ শুনতেই নাভিদকে ধরে ফেলে উত্তেজিত জনতা। গনপিটুনির পর তাঁকে পাল্টা গুলি করে হত্যা করা হয়েছে বলে সূত্রের খবর। তবে এই নাভিদের পিছনে কে তা এখনও স্পষ্ট হয়নি।

নভেম্বর ০৩, ২০২২
রাজ্য

স্বামীর খুনের আসামী ছাড়া পাওয়ায়, আত্মহত্যার চেষ্টা করলেন অনুপম দত্তের স্ত্রী

এদিন আদালত থেকে মূল অভিযুক্ত বাপি পণ্ডিতের জামিনের খবর এলাকায় জানাজানি হতেই ক্ষোভে ফেটে পড়েন এলাকার বাসিন্দারা। তারা একজোট হয়ে রাত পৌনে দশটা নাগাদ আগরপাড়া তেঁতুলতলা মোড়ে বিটি রোড অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখায়। রাস্তায় টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ দেখতে থাকে। এদিকে জামিন পাওয়ার ঘটনার খবরে বিক্ষোভ চলাকালীনই অনুপম দত্তের স্ত্রী তথা ওই ওয়ার্ডের পৌরমাতা মীনাক্ষী দত্ত তার দুই সন্তানকে নিয়ে ঘরের মধ্যে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন। তার মায়ের চিৎকার শুনে প্রতিবেশীরা তাকে উদ্ধার করে কামারহাটি সাগরদত্ত মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। তাকে ভর্তি করা হয় এবং বর্তমানে তিনি হাসপাতালের সিসিইউ ইউনিটে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। বিক্ষোভকারী বলেন, যদি বাপিকে ছেড়ে দেওয়া হয় তাহলে আগামী দিনে তারা বৃহত্তর আন্দোলনের পথে হাঁটবেন ।এখানে উল্লেখ্য, ১৩ মার্চ ২০২২ অনুপমের বাড়ি থেকে সামান্য দূরে, আগরপাড়া স্টেশন রোডে স্কুটারে ওঠার মুহুর্তে এক দুষ্কৃতী কয়েক হাত দূর থেকে অনুপমকে লক্ষ করে গুলি চালায়। তৎকালীন পানিহাটি পুরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর অনুপমের ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় । সেই রাতের মধ্যে গ্রেফতার হয় অমিত পণ্ডিত। ব্যারাকপুর পুলিশ কমিশনারেটের গোয়েন্দাদের তদন্তে উঠে আসে, খুনের সুপারি দিয়েছিল বাপি। জানাযায় এর আগে অন্য এক দুষ্কৃতীকে অনুপমকে মারা জন্য সুপারি দেইয়েছিল বাপি, সে কাজটি না করায় পুর ভোটের ঠিক পরেই অমিতকে কাজে লাগায়। সেই ঘটনার পরেই অনুপম দত্তের স্ত্রী মীনাক্ষী ও আত্মীয় পরিজনেরা দোষীদের চরম শাস্তির দাবি করে আসছিলেন। এমতবস্থায় বাপি জামিন পেয়ে গেলে তাঁদের কোনও ক্ষতি হতে পারে সেই আশঙ্কায় মীনাক্ষী ও তাঁর পরিবার।

আগস্ট ৩০, ২০২২
কলকাতা

কোচিং সেন্টারের শিক্ষকের দ্বারা ধর্ষিতা ছাত্রীর আত্মহত্যার চেষ্টা, গ্রেফতার অভিযুক্ত শিক্ষক

নরেন্দ্রপুর থানার একটি কোচিং সেন্টারের এক ছাত্রীকে দিনের পর দিন ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেপ্তার হলেন বলবীর সিং নামে এক কোচিং সেন্টারের মালিক কাম শিক্ষক। ঐ শিক্ষককে গ্রেপ্তার করলেন নরেন্দ্রপুর থানার পুলিশ। নরেন্দ্রপুর থানার লস্করপুর এলাকার সিং এন্ড শাও নামে ওই কোচিং সেন্টারের এক ছাত্রীর মায়ের অভিযোগের ভিত্তিতে গ্রেপ্তার করা হলো বলবীর সিং নামে ওই শিক্ষককে।ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিযোগ স্পোকেন ইংলিশ শেখানোর জন্য নিজের খুশি মত সময়ে ওই ছাত্রীকে ডেকে পাঠাতেন। তারপরে ওই ছাত্রী কে দিনের পর দিন ধর্ষণ করতেন। কাউকে না জানানোর আবেদনের সঙ্গে ছিল খুনের হুমকি। লজ্জায়, ভয়ে, কাউকে বলতে না পেরে বাথরুমে আত্মহত্যার করার চেষ্টা করেন ওই নির্যাতিতা ছাত্রী টি। পরে মায়ের কাছে সমস্ত কথা খুলে বলায় নরেন্দ্রপুর থানার পুলিশের দ্বারস্থ হন ওই ছাত্রীতির মা।মায়ের লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে ওই শিক্ষককে গ্রেফতার করেন নরেন্দ্রপুর থানার পুলিশ।

আগস্ট ২৬, ২০২২
রাজ্য

পুকুর থেকে উদ্ধার রক্তাক্ত যুবকের দেহ খুনের অভিযোগে গ্রেফতার বন্ধু, তুলকালাম দক্ষিণ বর্ধমান

বন্ধুকে খুনের অভিযোগে গ্রেফতার হল এক যুবক। ধৃতের নাম উত্তম রায়। পূর্ব বর্ধমানের খণ্ডঘোষ থানার শাঁকারি গ্রামের দক্ষিণপাড়ায় তার বাড়ি। বন্ধু প্রসেনদীপ রায়কে খুনের অভিযোগে পুলিশ বুধবার গভীর রাতে বাড়ি থেকে তাকে গ্রেফতার করে। বৃহস্পতিবার ধৃতকে পেশ করা হয় বর্ধমান আদালতে। খুনের ঘটনা বিশদে জানতে এবং বাকি জড়িতদের হদিশ পেতে তদন্তকারী অফিসার ধৃতকে ৫ দিন নিজেদের হেফাজতে নিতে চেয়ে আদালতে আবেদন জানায়। সিজেএম ধৃতের ৪ দিনের পুলিশি হেফাজত মঞ্জুর করেছেন।পুলিশ জানিয়েছে, শাঁকারি গ্রামের যুবক প্রসেনদীপ রায়ের বাড়ি শাঁকারি গ্রামেই। গত ১৪ নভেম্বর সন্ধ্যায় সে বাড়ি থেকে বের হয়। গ্রামের ফুলশিরে পুকুরপাড়ে কয়েকজন বন্ধুর সাথে তাকে গল্পগুজব করতে দেখাযায়। তারপর রাতে প্রসেনদীপ বাড়ি না ফেরায় পরিবারের লোকজন বিভিন্ন জায়গায় তার খোঁজ শুরু করেন। পুকুরপাড়েও প্রসেনদীপের হদিশ পাওয়া যায় না। পরেরদিন দুপুরে ফুলশিংরে পুকুরে জাল ফেলে তল্লাশি চালানো হয়। তখনই উদ্ধার হয় প্রসেনদীপের দেহ। তাঁর কান ও নাক দিয়ে রক্ত বেরিয়েছিল। ঘাড়ে কালশিটে দাগ ছিল। পুলিশ দেহটি উদ্ধার করে ময়না তদন্তে পাঠায়। মৃতের পরিবারের দাবি, প্রসেনদীপকে খুন করা হয়েছে। এনিয়ে পরিবারের তরফে থানায় জানানো হয়। থানা ব্যবস্থা না নেওয়ায় মৃতের দাদা সন্দীপ রায় বর্ধমান সিজেএম আদালতে মামলা করেন। তাঁর অভিযোগ, প্রসেনদীপকে পরিকল্পিতভাবে খুন করে প্রমাণ লোপাটের জন্য দেহ পুকুরে ফেলে দেওয়া হয়। এই ঘটনায় প্রসেনদীপের বন্ধুরাই জড়িত। সিজেএম খুন ও প্রমাণ লোপাটের ধারায় কেস রুজু করে তদন্তের জন্য খণ্ডঘোষ থানার ওসিকে নির্দেশ দেন। অভিযোগে সন্দীপ জানান, একই গ্রামের হওয়া সত্বেও প্রসেনদীপকে তাঁরা অভিযুক্তদের সঙ্গে মেলামেশা করতে নিষেধ করেন। ঘটনার কয়েকমাস আগে প্রসেনদীপের সঙ্গে তাদের ঝগড়া হয়। ঘটনার ৫-৬ দিন আগে থেকে বন্ধুদের সঙ্গে ফের মেলামেশা শুরু করেন তিনি। ঘটনার দিন রাতে উত্তম সহ কয়েকজনের সঙ্গে ফুলশিংরে পুকুর পাড়ে তাঁকে আড্ডা মারতে দেখা যায়। তাঁর বন্ধুরা মদ খাচ্ছিল। গ্রেপ্তারি এড়াতে উত্তম সহ ৫ অভিযুক্ত আগাম জামিনের আবেদন করে। সেই আবেদন খারিজ করে দেন জেলা জজ।

জানুয়ারি ২০, ২০২২
রাজ্য

Hoogly Murder: বাবা-মা-বোনকে খুন করে আত্মহত্যার চেষ্টা শিক্ষকের

মা, বাবা এবং বোনকে খুন করে আত্মহত্যার চেষ্টা করলেন এক যুবক। সোমবার রাতে ঘটনাটি ঘটেছে হুগলি জেলার ধনিয়াখালির দশঘড়া রায়পাড়ায়। পরিবারের লোককে খুন করে আত্মহত্যার চেষ্টা করা ওই যুবকের নাম প্রমথেশ ঘোষাল। পেশায় তিনি গৃহশিক্ষক। দীর্ঘ দিন ধরেই সিরোসিস অব লিভারে ভুগছিলেন তিনি। স্থানীয়দের দাবি, বাবা, মা এবং বোনকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে গলা, হাতের শিরা কেটে খুন করেন প্রমথেশ। তার পর নিজের হাতের শিরা কেটে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাঁকে ধনিয়াখালি গ্রামীণ হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। সেখানেই চলছে চিকিৎসা। খবর পেয়ে মঙ্গলবার সকালে পুলিশ যায় প্রমথেশের বাড়ি। তারা গিয়ে দেহগুলি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে।পুলিশ জানিয়েছে, মৃতেরা হলেন অসীম ঘোষাল (৬৮), শুভ্রা ঘোষাল (৬০) এবং পল্লবী চট্টোপাধ্যায় (৩৩)। দীর্ঘ ৪০ বছর ধরেই তাঁরা ধনিয়াখালির দশঘড়ার বাসিন্দা। প্রমথেশের বোন পল্লবী ভাইফোঁটা উপলক্ষে এসেছিলেন বাপের বাড়ি। প্রাথমিক ভাবে জানা গিয়েছে, পেশায় গৃহশিক্ষক প্রমথেশ আর্থিক অনটনে পড়েছিলেন। তার উপর বাবা, মা এবং নিজের চিকিৎসার খরচ চালাতে হিমশিম খেয়ে মানসিক অবসাদেও ভুগছিলেন তিনি। আর্থিক অনটনের জেরেই এই ঘটনা বলে প্রাথমিক অনুমান পুলিশের। তবে প্রমথেশকে জিজ্ঞাসাবাদ করে এ ব্যাপারে বিস্তারিত জানার চেষ্টা চালাচ্ছে পুলিশ।

নভেম্বর ০৯, ২০২১
কলকাতা

Bikash Bhaban: বিকাশ ভবনের সামনে ধুন্ধুমার, বিষ খেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা ৫ শিক্ষিকার

বদলির প্রতিবাদে বিষ খেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করলেন পাঁচ শিক্ষিকা। মঙ্গলবার বিকাশ ভবনের সামনে বিক্ষোভ দেখাচ্ছিলেন আন্দোলনকারী শিক্ষকেরা। পুলিশ তাঁদের বাধা দিতে গেলে আচমকাই বিষ খেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন তাঁরা। সঙ্গে সঙ্গে অসুস্থও হয়ে পড়েন। পুলিশ পাঁচ জনকেই হাসপাতালে নিয়ে গিয়েছে। ওই পাঁচ জনের মধ্যে চার জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে হাসপাতাল সূত্রে খবর।আরও পড়ুনঃ বেড পেতে গেলে আরেকটি শিশুর মৃত্যু অবধি অপেক্ষা করতে হবে!অসুস্থ পাঁচ শিক্ষিকাই ঐক্য মঞ্চের সদস্য। শিক্ষকদের এই সংগঠন বেশ কিছু দিন ধরেই শিক্ষকদের বদলি ইস্যুতে আন্দোলন করছে। এর আগে নবান্নের সামনে এমনকী, শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসুর বাড়ির সামনেও বিক্ষোভ দেখিয়েছেন তাঁরা। শিক্ষকদের অভিযোগ, আন্দোলন করার শাস্তি হিসেবেই বদলি করে দেওয়া হয়েছে তাঁদের। এই অভিযোগ নিয়েই মঙ্গলবার বিকাশ ভবনের সামনে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেছিলেন তাঁরা।পুলিশ জানিয়েছে, আন্দোলনকারীরা মূল ফটক পেরিয়ে ভিতরে প্রবেশ করলে তাঁদের বাধা দেওয়া হয়। সেই সময় পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তিও হয় আন্দোলনকারীদের। এর পর আচমকাই ব্যাগ থেকে বিষ বার করে খেতে শুরু করেন। পুলিশ তাঁদের বাধা দেয়।অভিযোগ, মুর্শিদাবাদের ভগবানগোলার শিক্ষিকা ফাজিলাকে বদলি করে দেওয়া হয়েছে দক্ষিণ দিনাজপুরে বদলি করে দেওয়া হয়েছে। মুর্শিদাবাদের অপর শিক্ষিকাকে বদলি করে দেওয়া হয়েছে জলপাইগুড়িতে। জ্যোৎস্না টুডু নামে এক শিক্ষিকাকে মেদিনীপুর থেকে বদলি করা হয়েছে জলপাইগুড়িতে। শিখা দাসকে পূর্ব মেদিনীপুর থেকে বদলি করা হয়েছে দক্ষিণ দিনাজপুরে বদলি করা হয়েছে। পুতুল মণ্ডল নামে এক শিক্ষিকাকে দক্ষিণ ২৪ পরগনা থেকে কেচাবিহারে বদলি করা হয়েছে। বৃত্তিমূলক শিক্ষিকাদের এই বদলি অনৈতিক বলে দাবি করছে শিক্ষক ঐক্যমঞ্চ।

আগস্ট ২৪, ২০২১
রাজ্য

হোটেল থেকে সংকটজনক অবস্থায় যুবক- যুবতী উদ্ধার

হাওড়া স্টেশন সংলগ্ন হোটেলের একটি ঘর থেকে এক যুবক ও যুবতীকে সংকটজনক অবস্থায় উদ্ধার করল গোলাবাড়ি থানার পুলিশ। জানা গিয়েছে , হোটেলটি হাওড়া স্টেশনের কাছে। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে তাঁদের নাম প্রীতম প্রামানিক (২২) ও সরস্বতী মাইতি মিদ্দে (২০)। তাঁরা পূর্ব মেদিনীপুরের খেজুরির বাসিন্দা। হোটেলে জমা দেওয়া আধার র্কাড থেকে পুলিশ জানতে পেরেছে প্রীতমের বয়স ২২ ও সরস্বতীর বয়স ২০। হোটেল মালিক বলেন, দুজনেই স্বামী-স্ত্রী পরিচয় দিয়ে হোটেলে ওঠেন। তাঁরা হোটেলের দোতলার ১০১ নম্বর রুমে ছিলেন। হোটেল সূত্রে জানা গিয়েছে, শুক্রবার সকাল ৬টা নাগাদ স্বামী - স্ত্রী পরিচয় দিয়ে হোটেলে ঘর নেন তাঁরা। দুজনেরই মুখ দিয়ে গাঁজলা বেরোচ্ছিল। মুখ থেকে উৎকট ঝাঁঝালো গন্ধ বেরিয়ে আসছিল। আরও পড়ুন ঃ প্রধানমন্ত্রী কি দেশের নাগরিক নয়? প্রশ্ন কৈলাসের হোটেলের ম্যানেজার ঈষান মিশ্র জানান, শনিবার দুপুর র্পযন্ত অনেকবার ডাকাডাকি করার পরও ১০১ নম্বর ঘরের বোর্ডার দরজা না খোলায় তাঁদের সন্দেহ হয়। শেষ র্পযন্ত তাঁরা থানায় খবর দেন। গোলাবাড়ি থানার পুলিশ এসে ডুপ্লিকেট চাবি দিয়ে দরজা খুলে দুজনকে আশংকাজনক অবস্থায় উদ্ধার করে হাওড়া জেলা হাসপাতালে নিয়ে যায়। হাসপাতাল সুত্রে জানা যায় দুজনের অবস্থাই আশংকাজনক। যুবক -যুবতী কীটনাশক জাতীয় কিছু খেয়েছিলেন। তাঁদের চিকিৎসা চলছে। হোটেলের কর্মীরা জানান, শুক্রবার থেকে ঘরেই ছিলেন তাঁরা। শনিবার সকাল থেকে তাঁদের সাড়া শব্দ না পেয়ে কর্মীদের সন্দেহ হয়। সেই কথা হোটেলের মালিককে জানালে তিনিই পুলিশকে খবর দেন। কি কারণে তাঁরা এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন তা জানতে পুলিশ দুই পরিবারের লোককে ডেকে পাঠিয়েছে। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।

নভেম্বর ২১, ২০২০

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

জাহাঙ্গির বিতর্কে ফুঁসছে তৃণমূল! কুণাল-ঋতব্রতদের ডেকে জরুরি বৈঠক মমতার

ভোটে ভরাডুবির পর থেকেই তৃণমূলের অন্দরে অসন্তোষ ক্রমশ বাড়ছে। বিশেষ করে ফলতার পুনর্নির্বাচনের আগে জাহাঙ্গির খানের সরে দাঁড়ানোর ঘোষণাকে ঘিরে দলের মধ্যে শুরু হয়েছে তীব্র বিতর্ক। এই ঘটনায় সরব হয়েছেন তৃণমূলের তিন বিধায়ক কুণাল ঘোষ, ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় এবং সন্দীপন সাহা। তাঁদের প্রশ্ন, দলের কঠিন সময়ে এমন আচরণের পরও কেন জাহাঙ্গির খানের বিরুদ্ধে কোনও কড়া পদক্ষেপ করা হচ্ছে না।এই পরিস্থিতিতে দলের অন্দরের ক্ষোভ সামাল দিতে উদ্যোগী হয়েছেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বুধবার বিকেলে কালীঘাটের বাড়িতে ডেকে পাঠানো হয় কুণাল ঘোষ, ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় এবং সন্দীপন সাহাকে। তিনজনই সেখানে উপস্থিত হন এবং দলীয় নেতৃত্বের সঙ্গে দীর্ঘ আলোচনা হয় বলে সূত্রের খবর।তবে বৈঠকের পরেও জাহাঙ্গির খানের বিরুদ্ধে আদৌ কোনও পদক্ষেপ নেওয়া হবে কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়। বৃহস্পতিবার ফলতায় পুনর্নির্বাচন। তার আগে মঙ্গলবার ছিল প্রচারের শেষ দিন। সেদিনই জাহাঙ্গির খান ঘোষণা করেন, তিনি এই ভোটে লড়বেন না। তৃণমূলের পক্ষ থেকে জানানো হয়, এটি তাঁর সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত, দলের সঙ্গে এর কোনও সম্পর্ক নেই।কালীঘাটের বৈঠকে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সকলকে সেই কথাই মনে করিয়ে দেন বলে জানা গিয়েছে। কিন্তু তাতেও পরিস্থিতি পুরোপুরি শান্ত হয়নি।সূত্রের খবর, বৈঠকে কুণাল ঘোষ নিজের ক্ষোভ স্পষ্ট ভাষায় প্রকাশ করেন। একইভাবে প্রতিবাদের সুর চড়ান সন্দীপন সাহা এবং ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ও। নাম না করেই তাঁরা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের দিকেই ইঙ্গিত করেছেন বলে রাজনৈতিক মহলের ধারণা। জাহাঙ্গির খানকে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের নেতা বলেও খোঁচা দেওয়া হয়েছে বলে সূত্রের দাবি।কুণাল ঘোষদের বক্তব্য ছিল, শুধুমাত্র ঘরোয়া বৈঠক করে নয়, দলের মধ্যে খোলাখুলি আলোচনা করার সুযোগ দিতে হবে। যদিও এর আগেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছিলেন, দলীয় নেতৃত্বের বিরুদ্ধে কারও অভিযোগ থাকলে তা লিখিত আকারে জমা দিতে হবে। কিন্তু সেই বার্তায় বিশেষ কাজ হয়নি বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।মঙ্গলবারের বৈঠকে কুণাল, ঋতব্রত এবং সন্দীপনদের ক্ষোভ প্রকাশ্যে আসার পরেই বুধবার তাঁদের আলাদা করে ডেকে পাঠান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রাজনৈতিক মহলের মতে, দলের অন্দরের বিদ্রোহ থামাতেই এই উদ্যোগ নিয়েছেন তৃণমূল নেত্রী।

মে ২০, ২০২৬
কলকাতা

রাজনৈতিক প্রভাবে চাপা পড়েছিল অভিযোগ? অভিষেকের সম্পত্তি নিয়ে চাঞ্চল্যকর দাবি

রাজ্যে সরকার বদলের পর কলকাতার একাধিক নির্মাণ নিয়ে কড়া পদক্ষেপ শুরু করেছে পুরনিগম। শহরের বিভিন্ন জায়গায় অবৈধ নির্মাণের অভিযোগ তুলে পাঠানো হচ্ছে নোটিস। সেই তালিকায় উঠে এসেছে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় নামও। তাঁর একাধিক সম্পত্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে বলে জানা গিয়েছে। নোটিস পাঠানো হয়েছে অভিষেকের মা লতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নামেও। এছাড়াও শান্তিনিকেতন নামে পরিচিত একটি বাড়ির ঠিকানাতেও নোটিস গিয়েছে।অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সম্পত্তি নিয়ে অভিযোগ অবশ্য নতুন নয়। দীর্ঘদিন ধরেই কালীঘাট রোডে ফুটপাথ দখল করে দলীয় কার্যালয় তৈরির অভিযোগ উঠেছে। তাঁর বাড়ি ও অফিস নিয়েও বেআইনি নির্মাণের অভিযোগ রয়েছে। পাশাপাশি লিপস অ্যান্ড বাউন্ডস-এর নামে থাকা কিছু সম্পত্তি নিয়েও প্রশ্ন উঠেছিল আগেই।পুরনিগম সূত্রে খবর, রাজনৈতিক প্রভাবের কারণেই অতীতে এই সংক্রান্ত একাধিক অভিযোগের ফাইল চাপা পড়ে যায়। জানা গিয়েছে, অন্তত ১৫ বার বিভিন্ন অভিযোগ জমা পড়েছিল। তবে সেই সময় কোনও বড় পদক্ষেপ করা হয়নি বলেই দাবি সংশ্লিষ্ট মহলের।এই বিতর্ক নিয়ে মুখ খুলেছেন রাজ্যের পুরমন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল। তিনি বলেন, যে কোনও অবৈধ নির্মাণের ক্ষেত্রেই পুরনিগম নোটিস পাঠাচ্ছে। সরকারকে না জানিয়ে বা অনুমতি ছাড়া কোনও নির্মাণ করা হলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। সেই নোটিস অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছেও যেতে পারে, আবার অন্য কারও কাছেও যেতে পারে।সম্প্রতি ১৮৮এ হরিশ মুখার্জি রোডের একটি বাড়িতে অবৈধ নির্মাণের অভিযোগ তুলে নোটিস পাঠানো হয়েছে। শান্তিনিকেতন নামে পরিচিত ওই বাড়ির মালিকানা রয়েছে লিপস অ্যান্ড বাউন্ডস-এর নামে। এছাড়াও কালীঘাট রোডের একটি ঠিকানায়, যা অভিষেকের মা লতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নামে রয়েছে, সেখানেও নোটিস পাঠানো হয়েছে।পুরনিগমের নোটিসে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, বাড়িগুলির যে অংশ বেআইনিভাবে তৈরি হয়েছে বলে অভিযোগ, তা ভেঙে ফেলতে হবে। যদি তা না করা হয়, তাহলে কেন ভাঙা হবে না, সেই বিষয়ে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে জবাব দিতে হবে।এই ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে শুরু হয়েছে জোর চর্চা। বিরোধীদের দাবি, এতদিন রাজনৈতিক প্রভাবের কারণে বিষয়গুলি চাপা ছিল। অন্যদিকে তৃণমূলের অন্দরে এই নোটিস নিয়ে অস্বস্তিও বাড়ছে বলে রাজনৈতিক মহলের একাংশের মত।

মে ২০, ২০২৬
কলকাতা

অভিষেকের বাড়ি বিতর্কে বিস্ফোরক পরিস্থিতি! মমতার রোষের মুখে ফিরহাদ

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ির অবৈধ অংশ ভাঙাকে ঘিরে রাজ্য রাজনীতিতে শুরু হয়েছে তীব্র বিতর্ক। এই ঘটনা নিয়ে তোলপাড় তৃণমূলের অন্দরও। মঙ্গলবার বিধায়কদের সঙ্গে বৈঠকে বিষয়টি নিয়ে প্রকাশ্যে ক্ষোভ উগরে দেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কেন আগে থেকে নোটিসের বিষয়টি জানানো হয়নি, তা নিয়ে কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিমকেও ভর্ৎসনা করেন তিনি বলে সূত্রের খবর। বৈঠকে এই বিষয় নিয়ে বিস্তর চাপানউতোরও হয়।এই বিতর্কের মাঝেই মুখ খুলেছেন ফিরহাদ হাকিম। তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সম্পত্তি সংক্রান্ত বিষয় বা নোটিস সম্পর্কে তাঁর কোনও ধারণা ছিল না। ফিরহাদের বক্তব্য, কারও ব্যক্তিগত বিষয় নিয়ে মন্তব্য করতে পারব না। কেএমসি-র বিল্ডিং বিভাগ কাকে নোটিস দেবে বা দেবে না, কোন ধারায় নোটিস পাঠানো হবে, সেটা মেয়রের এক্তিয়ারের মধ্যে পড়ে না। আমাকে জানানোও বাধ্যতামূলক নয়।তিনি আরও বলেন, আমি কোনও ইজারা নিইনি। নিয়ম অনুযায়ী যা হওয়ার, সেটাই হয়েছে। পুরসভার আইন অনুযায়ী এই ধরনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা পুর কমিশনারের রয়েছে বলেও জানিয়েছেন তিনি। বর্তমানে সেই দায়িত্বে রয়েছেন স্মিতা পাণ্ডে। রাজনৈতিক মহলের একাংশের দাবি, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ির বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তও কমিশনার স্তর থেকেই নেওয়া হয়েছে।এদিকে এই বিতর্কে মুখ খুলেছেন বেলেঘাটার বিধায়ক কুণাল ঘোষও। তিনি বলেন, দলের মুখপাত্র হিসেবে আমরা যা মনে করি, সেটাই বলি। কিন্তু কার বাড়িতে কতগুলি নোটিস গিয়েছে বা কী নোটিস দেওয়া হয়েছে, সেটা আমাদের জানার কথা নয়। সেই বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা তাঁর আইনজীবীরাই সঠিক তথ্য দিতে পারবেন।অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ি নিয়ে এই বিতর্কে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। বিরোধীরা এই ইস্যুতে তৃণমূলকে নিশানা করতে শুরু করেছে। অন্যদিকে, তৃণমূলের অন্দরেও বিষয়টি নিয়ে অস্বস্তি ক্রমশ বাড়ছে বলেই রাজনৈতিক মহলের ধারণা।

মে ২০, ২০২৬
রাজ্য

বাংলায় আজ থেকেই চালু ‘পুশব্যাক’ আইন! অনুপ্রবেশকারীদের নিয়ে বড় ঘোষণা শুভেন্দুর

রাজ্যে পালাবদলের পর অনুপ্রবেশ রুখতে বড় সিদ্ধান্ত নিল বিজেপি সরকার। বুধবার থেকেই পশ্চিমবঙ্গে কার্যকর করা হল পুশব্যাক আইন। সাংবাদিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী Suvendu Adhikari জানান, জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে কেন্দ্রের নির্দেশিকা মেনেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, অনুপ্রবেশকারীদের চিহ্নিত করে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য ২০২৫ সালেই রাজ্যকে নির্দেশ দিয়েছিল কেন্দ্র। কিন্তু তৎকালীন তৃণমূল সরকার সেই নির্দেশ কার্যকর করেনি। এবার বিজেপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকেই বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা হয় এবং বুধবার থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে আইন চালু করা হয়েছে।শুভেন্দু অধিকারী জানান, এবার থেকে রাজ্যে ধরা পড়া অবৈধ বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের সরাসরি সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের হাতে তুলে দেবে পুলিশ। এরপর নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে বাংলাদেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিবি-র সঙ্গে যোগাযোগ করে তাঁদের ফেরত পাঠানো হবে। মুখ্যমন্ত্রীর কথায়, এর ফলে দ্রুত অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের বাংলা থেকে সরানো সম্ভব হবে।তবে এই ঘোষণার পরেই বাংলাদেশ থেকে আসা মতুয়া সম্প্রদায়ের একাংশের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়। অনেকেই আশঙ্কা প্রকাশ করেন, তাঁদেরও কি রাজ্য ছাড়তে হবে? সেই জল্পনার জবাব দিতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট করে জানান, নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনের আওতায় থাকা কোনও হিন্দু বা বাংলাদেশ, পাকিস্তান এবং আফগানিস্তান থেকে ধর্মীয় নির্যাতনের শিকার হয়ে আসা সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে কোনও পদক্ষেপ করা হবে না।শুভেন্দু বলেন, সিএএ-র আওতায় থাকা সাতটি সম্প্রদায়ের মানুষ নির্দিষ্ট নিয়ম মেনেই ভারতীয় নাগরিকত্ব পাবেন। যাঁরা ২০২৪ সালের ৩১ ডিসেম্বরের আগে ভারতে বা বাংলায় এসেছেন, তাঁদের পুলিশ কোনওভাবেই হেনস্তা বা আটক করতে পারবে না।একই সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট ভাষায় জানান, যাঁরা সিএএ-র আওতায় পড়েন না, তাঁদের অবৈধ অনুপ্রবেশকারী হিসেবেই দেখা হবে। তাঁদের বিরুদ্ধে আইন মেনে ব্যবস্থা নেবে পুলিশ। এরপর বিএসএফের মাধ্যমে বিজিবি-র সঙ্গে কথা বলে তাঁদের ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু হবে।এই সিদ্ধান্ত ঘিরে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে তীব্র চর্চা শুরু হয়েছে। বিজেপির দাবি, দীর্ঘদিন ধরে সীমান্তবর্তী জেলাগুলিতে অনুপ্রবেশ বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছিল। নতুন আইন চালুর ফলে পরিস্থিতির বদল হবে বলেই মনে করছে রাজ্যের শাসক দল।

মে ২০, ২০২৬
রাজ্য

উত্তরবঙ্গে পৌঁছেই মমতাকে কটাক্ষ শুভেন্দুর! “ঘুরতে নয়, কাজ করতে আসব” মন্তব্যে তোলপাড় রাজনীতি

শিলিগুড়িতে পৌঁছেই উত্তরবঙ্গের মানুষকে প্রণাম জানালেন মুখ্যমন্ত্রী Suvendu Adhikari। বুধবার বাগডোগরা বিমানবন্দরে নামার পরই তিনি জানিয়ে দেন, এবার থেকে প্রতি মাসে উত্তরবঙ্গে আসবেন মুখ্যমন্ত্রী এবং মন্ত্রিসভার সদস্যরা। শুধু প্রশাসনিক বৈঠক নয়, উন্নয়নের কাজ সরেজমিনে খতিয়ে দেখতেই এই উদ্যোগ বলে জানিয়েছেন তিনি। একই সঙ্গে ঘোষণা করা হয়েছে, প্রতি সপ্তাহে উত্তরকন্যায় বসবেন উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রী Nisith Pramanik।উত্তরবঙ্গে পৌঁছেই শুভেন্দু অধিকারীর মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর চর্চা। তিনি বলেন, ঘুরতে নয়, এখানে কাজ করতে আসব। কথা কম বলব, কাজ বেশি করব। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, এই মন্তব্যের মাধ্যমে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী Mamata Banerjee-কেই পরোক্ষে কটাক্ষ করেছেন শুভেন্দু।এদিন উত্তরকন্যায় প্রশাসনিক বৈঠকে যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে মুখ্যমন্ত্রীর। সেখানে উত্তরবঙ্গের পাঁচ জেলার বিধায়ক, পুলিশ ও প্রশাসনের আধিকারিকরা উপস্থিত থাকবেন। বর্ষার আগে বন্যা, হড়পা বান, ভূমিধস, নদীভাঙনের মতো প্রাকৃতিক বিপর্যয় মোকাবিলায় বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে বলে জানা গিয়েছে। পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা, চিকিৎসা পরিষেবা, চা বাগানের সমস্যা, বেআইনি নির্মাণ, জমি দখল এবং বালি-পাথর মাফিয়াদের বিরুদ্ধে কড়া অবস্থানের কথাও জানানো হয়েছে।বেলা ১১টার কিছু পরে বাগডোগরা বিমানবন্দরে পৌঁছন শুভেন্দু অধিকারী। তাঁকে স্বাগত জানাতে সকাল থেকেই বিমানবন্দরের বাইরে ভিড় জমিয়েছিলেন বিজেপি কর্মী-সমর্থক এবং সাধারণ মানুষ। বিমানবন্দরের বাইরে বেরিয়ে হাতজোড় করে সকলকে নমস্কার জানান তিনি। উত্তরবঙ্গে বিজেপিকে বিপুল ভোটে জেতানোর জন্য মানুষকে ধন্যবাদও জানান মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর পাশে ছিলেন দার্জিলিংয়ের সাংসদ Raju Bista এবং নিশীথ প্রামাণিক।শুভেন্দু অধিকারী বলেন, উত্তরবঙ্গের পবিত্র ভূমিকে প্রণাম জানাই। ২০০৯ সাল থেকেই উত্তরবঙ্গ ও পাহাড় বিজেপিকে জায়গা দিয়েছে। প্রধানমন্ত্রী Narendra Modi এবং বিজেপি যে উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, তা বাস্তবায়নের মাধ্যমে উত্তরবঙ্গের মানুষের ঋণ শোধ করবে সরকার।তিনি আরও জানান, প্রতি মাসে মুখ্যমন্ত্রী এবং মন্ত্রিসভার সদস্যরা উত্তরবঙ্গে আসবেন। প্রতি সপ্তাহে উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রী উত্তরকন্যায় বসে সাধারণ মানুষের সমস্যা শুনবেন এবং উন্নয়নের কাজের অগ্রগতি পর্যালোচনা করবেন। সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত প্রশাসনিক বৈঠকের পাশাপাশি সাংসদ ও বিধায়কদের সঙ্গেও আলোচনা হবে বলে জানা গিয়েছে।উত্তরকন্যাকে পুরোপুরি সক্রিয় করার বার্তাও দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। সাধারণ মানুষের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ বাড়ানোর ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।উত্তরকন্যায় যাওয়ার আগে শিলিগুড়ির বিজেপি জেলা কার্যালয়েও যান শুভেন্দু অধিকারী। পথে একাধিক জায়গায় থামে তাঁর কনভয়। গাড়ি থেকে নেমে সাধারণ মানুষের শুভেচ্ছা গ্রহণ করেন তিনি। ছোট শিশুদের কোলে নিতেও দেখা যায় মুখ্যমন্ত্রীকে। বিজেপি কার্যালয়ে পৌঁছলে দলীয় কর্মীরা তাঁকে সংবর্ধনা জানান। সেখানে সংগঠন আরও শক্তিশালী করার বার্তাও দেন শুভেন্দু।

মে ২০, ২০২৬
কলকাতা

আরজি কর মামলায় বড় মোড়! ঘটনাস্থল ফের সিল করার নির্দেশ আদালতের

আরজি কর মামলায় ফের নতুন মোড়। নির্যাতিতার পরিবারের পক্ষ থেকে ঘটনাস্থল ফের পরিদর্শনের আবেদন জানানো হয়েছিল। সেই মামলার শুনানিতে কলকাতা হাই কোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ ঘটনাস্থল পুনরায় সিল করার নির্দেশ দিয়েছে।মঙ্গলবার বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষ এবং বিচারপতি শম্পা সরকারের বেঞ্চে মামলার শুনানি হয়। শুনানির সময় সিবিআই-এর আইনজীবী রাজদীপ মজুমদার জানান, যেখানে ঘটনা ঘটেছিল বলে দাবি করা হচ্ছে, সেই সেমিনার হল এখনও সিল করা রয়েছে।তবে নির্যাতিতার পরিবারের আইনজীবী জয়ন্ত নারায়ণ আদালতে দাবি করেন, ঘটনাটি সেমিনার হলে ঘটেনি। তাঁর বক্তব্য, হাসপাতালের সপ্তম তলায় সন্দীপ ঘোষের ব্যক্তিগত ঘর এখনও সিল করা হয়নি। সেই কারণেই পরিবারের পক্ষ থেকে ঘটনাস্থল আবার পরিদর্শনের অনুমতি চাওয়া হয়েছে।শুনানিতে ভার্চুয়ালি উপস্থিত ছিলেন সিবিআই-এর তদন্তকারী অফিসার সীমা পাহুজা। বিচারপতিরা তাঁকে প্রশ্ন করেন, কোন কোন জায়গা সিল করা হয়েছে। উত্তরে তিনি জানান, যেখানে দেহ উদ্ধার হয়েছিল, সেই সেমিনার রুম সিল করা হয়েছে।এরপর বিচারপতি শম্পা সরকার জানতে চান, তদন্তের সময় অন্য কোনও জায়গা সিল করার প্রয়োজন মনে হয়নি কি না। তখন সিবিআই-এর আইনজীবী জানান, নিম্ন আদালতের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী সেমিনার হলকেই ঘটনাস্থল ধরা হয়েছিল। পাল্টা বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষ বলেন, নিম্ন আদালত তো সিবিআই-এর দেওয়া তথ্য ও প্রমাণের উপর নির্ভর করেই নির্দেশ দেয়।মামলাকারীর আইনজীবী আরও দাবি করেন, সিবিআই-এর রিপোর্টে নতুন কোনও তথ্য নেই। সেখানে শুধু তদন্তে কী কী করা হয়েছে, সেটাই উল্লেখ করা হয়েছে। সেই কারণেই পরিবারের পক্ষ থেকে ঘটনাস্থল সরাসরি ঘুরে দেখার অনুমতি চাওয়া হয়েছে।এই মামলার শুনানির পর আবারও আরজি কর কাণ্ড নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। তদন্তের বিভিন্ন দিক নিয়ে এখন রাজনৈতিক ও আইনি মহলে জোর চর্চা চলছে।

মে ১৯, ২০২৬
দেশ

“গত ১০ বছরের অভিজ্ঞতা ভয়ঙ্কর” — পশ্চিমবঙ্গের নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য সুপ্রিম কোর্টের

রাজ্যে শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে একের পর এক দুর্নীতির অভিযোগের মধ্যেই এবার মাদ্রাসা নিয়োগ মামলায় কড়া মন্তব্য করল সুপ্রিম কোর্ট। মঙ্গলবার মামলার শুনানিতে বিচারপতি দীপঙ্কর দত্ত এবং বিচারপতি অগাস্টিন জর্জ মসিহের ডিভিশন বেঞ্চ পশ্চিমবঙ্গের নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করে।আদালত জানায়, গত ১০ বছরে পশ্চিমবঙ্গে নিয়োগ সংক্রান্ত মামলাগুলিতে তাদের অভিজ্ঞতা অত্যন্ত খারাপ। একইসঙ্গে আদালতের পর্যবেক্ষণ, মাদ্রাসার নিয়ম মেনে পরিচালন কমিটি গঠন করা হয়নি। সেই পরিস্থিতিতে কীভাবে ওই কমিটিগুলি শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মী নিয়োগের দায়িত্ব নিল, তা নিয়েও প্রশ্ন তোলে শীর্ষ আদালত।তৃণমূল সরকারের আমলে মূলত ২০১৬ থেকে ২০২০ সালের মধ্যে রাজ্যের বিভিন্ন মাদ্রাসায় বিপুল সংখ্যক শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মী নিয়োগ করা হয়েছিল। অভিযোগ, বহু ক্ষেত্রে নিয়ম না মেনে ওয়াক ইন ইন্টারভিউ-এর মাধ্যমে নিয়োগ করা হয়। সেই নিয়োগকে চ্যালেঞ্জ করেই মামলা গড়ায় আদালতে।মঙ্গলবার শুনানিতে সুপ্রিম কোর্ট প্রশ্ন তোলে, মাদ্রাসা সার্ভিস কমিশন কার্যকর না থাকলে কেন স্কুল সার্ভিস কমিশনের মাধ্যমে নিয়োগ করা হল না। আদালত জানতে চায়, এই নিয়োগের জন্য সরকারের অনুমতি নেওয়া হয়েছিল কি না। বিচারপতিরা বলেন, রাজ্যে হাজার হাজার মাদ্রাসা রয়েছে। প্রত্যেক পরিচালন কমিটি যদি নিজেদের মতো নিয়োগ করে, তাহলে সরকার কেন সেই দায়িত্ব নেবে?নিয়োগকারীদের যোগ্যতা নিয়েও প্রশ্ন তোলে আদালত। বিচারপতিরা জানতে চান, কারা এই নিয়োগ করেছে এবং তাঁদের যোগ্যতা কী ছিল। একইসঙ্গে আদালতের মন্তব্য, আপনারা নিজেদের পছন্দের লোকদের চাকরি দিয়েছেন। কেন দিয়েছেন, সেটাও আমরা জানি।শুনানিতে আরও জানতে চাওয়া হয়, পরিচালন কমিটিতে সরকারের কোনও মনোনীত প্রতিনিধি ছিলেন কি না। মামলার বিস্তারিত শুনানি আগামীকাল আবার হবে বলে জানিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট।

মে ১৯, ২০২৬
কলকাতা

অভিষেকের সম্পত্তিতে পুরনিগমের নোটিস! এবার মুখ খুললেন ফিরহাদ, বাড়ল রহস্য

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সম্পত্তি নিয়ে নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে। কলকাতা পুরনিগমের তরফে তাঁর সঙ্গে যুক্ত একাধিক সম্পত্তির নথি চেয়ে নোটিস পাঠানো হয়েছে। এই ঘটনা সামনে আসতেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে রাজনৈতিক মহলে। তবে কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিম দাবি করেছেন, এই বিষয়ে তাঁকে কিছু জানানো হয়নি।ফিরহাদ হাকিম বলেন, কোন বেআইনি নির্মাণের বিরুদ্ধে কী পদক্ষেপ নেওয়া হবে, সেই সিদ্ধান্ত মেয়র নেন না। পুরসভার বিল্ডিং বিভাগ এবং কমিশনার প্রশাসনিক ক্ষমতা অনুযায়ী এই ধরনের সিদ্ধান্ত নিতে পারেন বলেও জানান তিনি।পুরনিগম সূত্রে খবর, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত মোট ২১টি সম্পত্তির নথি চাওয়া হয়েছে। অনুমোদন অনুযায়ী নির্মাণ হয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখতেই এই পদক্ষেপ করা হয়েছে। বিশেষ করে অভিষেকের সংস্থা লিপস অ্যান্ড বাউন্ডস-এর সঙ্গে যুক্ত সম্পত্তিগুলির তথ্য চাওয়া হয়েছে।এই তালিকায় রয়েছে হরিশ মুখার্জি রোডের একটি বাড়ি এবং কালীঘাট মোড়ের একটি বহুতল। জানা গিয়েছে, পুরনিগমের ৯ নম্বর বোরো অফিস থেকে সংশ্লিষ্ট সম্পত্তিগুলিতে নোটিস পাঠানো হয়েছে। বিল্ডিং বিভাগের ৪০০(১) ধারায় এই নোটিস জারি করা হয়েছে বলে খবর।কয়েকদিন আগেই ফলতার নির্বাচনী প্রচারে গিয়ে শুভেন্দু অধিকারী সরাসরি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সম্পত্তি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন। তিনি দাবি করেছিলেন, কলকাতায় লিপস অ্যান্ড বাউন্ডস-এর একাধিক সম্পত্তি রয়েছে। সেই মন্তব্যের পরই পুরনিগমের নোটিস ঘিরে নতুন রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে।এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন উঠছে, কেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নামে নয়, তাঁর সংস্থা লিপস অ্যান্ড বাউন্ডস-এর নামে নোটিস পাঠানো হল? রাজনৈতিক মহলের মতে, এর পিছনে রয়েছে সম্পত্তির মালিকানার বিষয়টি। গত লোকসভা নির্বাচনের হলফনামায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছিলেন, তাঁর ঠিকানা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ি, অর্থাৎ ৩০বি হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিট। অন্যদিকে, যে বাড়িগুলিতে তিনি থাকেন বা অফিস করেন, সেগুলি তাঁর সংস্থার অধীনে। সেই কারণেই পুরনিগম সরাসরি ব্যক্তিগত নামে নয়, কোম্পানির নামেই নোটিস পাঠিয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।

মে ১৯, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal